নেটওয়ার্কের আকার গঠন তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়
1) লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
2)মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
3) ওয়াইট এরিয়া নেটওয়ার্ক
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কাকে বলে
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক হলো একাধিক কম্পিউটার ডিভাইস পরস্পর যুক্ত হয়ে কোন অফিস বিল্ডিং বা ক্যাম্পাসের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করে তখন তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে ।
লোকাল এরিয়ার নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য হলো
1) এটি খুব সীমিত
২) এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত কম্পিউটার সীমিত
3) এই নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের গতি বেশি হয় এবং পরিবহনের ত্রুটি অপেক্ষাকৃত কম হই
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা গুলি কি কি
1) নম্বর সুবিধা হল লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভাগাভাগি করে তথ্য আদান প্রদান করা যায়
2) লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এর তথ্য পরিবহনের গতি বেশি হয়
3) এই নেটওয়ার্ক যেকোনো ওয়ার্ক স্টেশন থেকে অ্যাক্সেস করতে পারি
লোকাল এরিয়ার নেটওয়ার্কের অসুবিধা গুলি হল
1) সমস্ত ওয়াক স্টেশন কেন্দ্রীয় সার্ভারের উপর নির্ভরশীল হলে সার্ফার বিকল হলে সম্পূর্ণ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়ে
2) কোন কেবল বা তারের সমস্যা হলে নেটওয়ার্কের ওই অংশটি কাজ করতে পারেনা
মোটামুটি ভাবে এই ছিল লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আলোচনা এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রকারভেদের প্রথম প্রকারভেদ যেটাকে আমরা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বললাম।
লোকাল এরিয়ার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে কি কি কার্য সম্পাদন করা যায়
1) তথ্য বন্টন করা যাই
2) ইমেইল পরিবহন করা যায় বিভিন্ন জায়গায় ডকুমেন্ট ও চিঠিপত্র ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো যাই
3) লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সাহায্যে একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য ট্রান্সফার করা যায়
4) লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সবচেয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা হল তথ্যের আদান-প্রদান সুরক্ষিত থাকে এবং তথ্য বেকাপ রাখার ফলে তথ্য নষ্ট হয়ে যায় না এক কথায় তথ্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম
লোকাল এরিয়ার নেটওয়ার্ক আদান-প্রদানের জন্য যে দুটি উপাদান প্রয়োজন তা হল
1) ল্যান হার্ডওয়ার
২) ল্যান সফটওয়্যার
এই লেন উপাদানগুলি চারটি ভাগে ভাগ করা যায় এক ওয়ার্ক স্টেশন দুই হচ্ছে সার্ভার তিন কমিউনিকেশন চ্যানেল চার নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস ইউনিট
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
যে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভৌগোল লিক ভাবে আলাদা আলাদা কম্পিউটার বা ডিভাইস পরস্পর যুক্ত হয়ে একই শহরের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করে তাকে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য
1) একাধিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সমষ্টি ভাবে গঠিত হতে পারে
2) একই শহরে সর্বাধিক ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিতো হতে পারি
3) মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক আছে বড় হয়
4) এই নেটওয়ার্ক তথ্য পরিবহনের ত্রুটি অপেক্ষাকৃত বেশি হয়
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা
1) ভৌগলিকভাবে পৃথক অবস্থানের জন্য কেন্দ্রীয় সার্ভার এর সাথে বিভিন্ন স্থান থেকে যোগাযোগ পরাজয়
2) ব্যবহারকারী একই শহরের বিভিন্ন অফিসে মেল আদান-প্রদান করতে পারি অথবা ডকুমেন্ট আদান প্রদান করতে পারে
3) একাধিক ব্রাঞ্চ অফিসের সঙ্গে একই শহরের যোগাযোগ স্থাপন করা যায়
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক যে অসুবিধা
1) এটা রক্ষণাবেক্ষণে খরচ বেশি
2) তথ্য পরিবহনের গতি অনেক কম তথ্য পরিবহনের ত্রুটি অনেক বেশি কোন এক জায়গায় ত্রুটি হলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক কাজ করতে পারেনা
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক এর পরিবহন মাধ্যম হিসাবে কো অক্সিয়াল ক্যাবল এবং অপটিক্যাল ফাইবার কেবেল তাছাড়া মাইক্রোওয়েভ বেতার তরঙ্গ ইত্যাদি ব্যবহৃত হয় ওয়াল্ড এরিয়া নেটওয়ার্কের তথ্য পরিবহনের চেয়ে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক এর তথ্য পরিবহন এর গতি অনেক কম
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক এর তথ্য বা ডেটা নিরাপত্তা অনেক বেশি এবং অনেকটাই তাই সুরক্ষিত
এই নেটওয়ার্ক এ নোড সংখ্যা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের অপেক্ষা বেশি
এখানে মনে রাখতে হবে যে নেটওয়ার্ক সংযুক্ত কম্পিউটার গুলি নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে আর্কিটেকচার গঠন করা হয় এটি সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়
1) একটি হলো পিয়ার টুপিয়ার
2) দু নম্বর হলো ক্লাইন্ট সার্ভার
আর্কিটেকচার হলো এপ্লিকেশনের সাহায্যে গঠিত আর্কিটেকচার
আর ক্লাইন্ট সার্ভার হল লাইন সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন এর সাহায্যে গঠিত আর্কিটেকচার একে ক্লাইন সার্ভার আর্কিটেকচার বলা হয়
ক্লায়েন্ট বলতে আমরা কি বুঝি
ক্লাইন্ড হল একটি মডেল একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম এটি একটি লোকাল কম্পিউটারে সম্পাদিত করা হয় এবং সার্ভার এর কাছে সার্ভিসের জন্য অনুরোধ পাঠাই এক কথায় ব্যবহারকারী যে কম্পিউটার থেকে এই প্রোগ্রামটি রান করে সেই কম্পিউটারটিকে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার বলা হয়
সার্ভার কি
সার্ভার হলো ক্লায়েন্ট সার্ভার মডেলের একটি এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম এই এপ্লিকেশন প্রোগ্রামটি একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালু থাকে যে কম্পিউটারে সার্ভার প্রোগ্রামটি রান করে সেই কম্পিউটারটিকে সার্ভার কম্পিউটার বলা হয়
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
যে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক গুলি বিভিন্ন কমিউনিকেশনর মাধ্যমের দ্বারা পরস্পরের সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান প্রদান করে তাকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
হোয়াইট এরিয়ার নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য
1) এই নেটওয়ার্ক ভৌগোলিক পরিসীমা রাজ্য দেশ মহাদেশ বা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হতে পারে
2) অসংখ্য ল্যান্ড এবং ওয়ান করতে হয়
3) ওয়ানের মাধ্যমে হিসাবে কেবল তারবিহীন মাধ্যম ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়
4) ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক তথ্য পরিবহনে গতি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক অপেক্ষা কম
5) এরিয়া নেটওয়ার্ক এর সাহায্যে চিঠিপত্র ইমেজ ফাইল অডিও ফাইল ভিডিও ফাইল ইত্যাদি আদান প্রদান করা যায়
ওয়াইট এরিয়ার নেটওয়ার্কের সুবিধা গুলি হল
এই নেটওয়ার্কের সংযুক্ত ওয়াক্ট স্টেশন গুলির মধ্যে সফটওয়্যার তথ্য ইত্যাদি রিসোর্স ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যায়
এরিয়া নেটওয়ার্কের সাহায্যে বহু দূরবর্তী জায়গায় তথ্য পরিবহন করা যায় এছাড়াও
ইমেইলের সাহায্যে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে দ্রুত চিঠিপত্র এবং অন্যান্য মেসেজ পাঠানো যায়
এরিয়ার নেটওয়ার্কের সাহায্যে মাইক্রোওয়েভ উপগ্রহ ইত্যাদির সাহায্যে তার বিহীন যোগাযোগ মাধ্যম স্থাপন করা যাই
সাদা নেটওয়ার্কের অসুবিধা গুলি হল দূরবর্তী স্থানে তথ্য পরিবহনের সময় তথ্যের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে তথ্য পরিবহনের ত্রুটি লোকাল এরিয়ার নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক অপেক্ষা বেশি তথ্য সম্প্রসারণের খরচ বেশি এই নেটওয়ার্কের গঠন খুব জটিল প্রকৃতির
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন